শিশুর দাঁত ওঠা (Teething) জীবনের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সাধারণত ৬ মাস থেকে শুরু করে ৩ বছর পর্যন্ত শিশুর দাঁত ধীরে ধীরে ওঠে। এই সময় শিশুরা অস্বস্তি অনুভব করে, কান্নাকাটি করে, খাবার খেতে চায় না এবং প্রায়ই জ্বর বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়। একজন সচেতন মা-বাবা হিসেবে আপনার জানা উচিত, দাঁত ওঠার সময় শিশুর জন্য কোন খাবার নিরাপদ ও উপকারী হতে পারে।
দাঁত ওঠার সময় শিশুর সাধারণ সমস্যা
অতিরিক্ত লালা ঝরা
জিনিস কামড়াতে চাওয়া
খাওয়ার ইচ্ছা কমে যাওয়া
হালকা জ্বর বা ডায়রিয়া
মেজাজ খারাপ ও কান্না
এসব সমস্যার মধ্যে সঠিক খাবার শিশুকে কিছুটা আরাম দেয় এবং পুষ্টি যোগায়।
দাঁত ওঠার সময় উপকারী খাবার
১. ঠান্ডা ফলের পিউরি
শিশুর মাড়ি গরম ও ব্যথা অনুভূত হয়। ঠান্ডা করা কলা, আপেল বা নাশপাতির পিউরি শিশুর জন্য আরামদায়ক হতে পারে।
২. নরম খিচুড়ি বা ভাত-মসুর ডাল
শিশুর জন্য সহজপাচ্য খাবার দরকার। হালকা খিচুড়ি বা ভাত-ডালের মিশ্রণ দাঁত ওঠার সময় খুব উপকারী।
৩. ঠান্ডা দই
দই শিশুর মাড়ি ঠান্ডা করে আরাম দেয় এবং পেটের জন্যও ভালো। তবে অবশ্যই চিনিবিহীন ঘরে তৈরি দই খাওয়াতে হবে।
৪. স্টিম করা সবজি
গাজর, আলু বা মিষ্টি কুমড়া স্টিম করে নরম করে দিলে শিশু সহজে খেতে পারে এবং এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর।
৫. টিথিং বিস্কুট বা টিথিং রিং
শিশু কিছু চিবাতে চাইবে। এজন্য বাজারে টিথিং বিস্কুট বা টিথিং রিং পাওয়া যায়, তবে অবশ্যই ক্ষতিকর রাসায়নিকমুক্ত কিনতে হবে।
শিশুর খাবারে যা এড়িয়ে চলবেন
অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার (চকোলেট, ক্যান্ডি)
কোল্ড ড্রিংকস বা জুসে চিনি
শক্ত খাবার যা গলায় আটকে যেতে পারে
মা-বাবার করণীয়
শিশুকে নিয়মিত বুকের দুধ বা ফর্মুলা দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে।
শিশুর মুখ পরিষ্কার রাখতে হবে।
দাঁত ওঠার সময় শিশুর শরীরের পরিবর্তন নজরে রাখতে হবে।
উপসংহার
শিশুর দাঁত ওঠার সময় মা-বাবার ধৈর্য ও সচেতনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক খাবার শিশুকে আরাম দেয় এবং পুষ্টি যোগায়। ঠান্ডা ও নরম খাবার এই সময় সবচেয়ে উপকারী।
https://mommychoicebd.com/is a trusted virtual e-commerce marketplace. It is an online retailer that sells a variety of products from anywhere in Bangladesh. We offer over a thousand products. We sell them online. We have a 07-day money-back guarantee. We always work with fidelity. Thanks for staying with us.